কী পড়বেন কীভাবে পড়বেন

৳ 132

বইয়ে সবিস্তারে উল্লেখ আছে ; কেন বই পড়বো? কীভাবে আমাদের অধ্যয়ন শঙ্কামুক্ত হবে। বই পড়ার প্রতি অনীহা ও তার প্রতিকার। কিভাবে পড়া শুরু করতে হয়, এবং পড়ার সময় কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। কোন কাজ গুরুত্বের সাথে করতে হয়, কোন কাজ বর্জন করতে হয়। আরও আছে বই ক্রয় ও সংগ্রহ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা। এবং বই ধার দেয়ার গুরুত্ববহ কিছু নিয়ম কানুন।

লেখক

অনুবাদক

আবদুল্লাহ আল মাসউদ

প্রকাশনী

দেশ

ভাষা

বাংলা

পৃষ্ঠা

119

বই নিঃসঙ্গতার সঙ্গী। ভালো বন্ধু। সৎ প্রতিবেশী। অনুগত সাথী। বিনয়ী শিক্ষক। যুগে যুগে ওলামায়ে কেরামের ইমলী হৃদয়ে বইয়ের প্রতি ছিলো অগাধ ভালোবাসা ও অনুরাগ। বই ছিলো তাদের বিশ্বস্ত বন্ধু যা তাদের বিরক্ত করতো না। নিঃসঙ্গতার প্রিয় সঙ্গী হয়ে সঙ্গ দিতো হযরে ও সফরে।

বই এমন এক দীর্ঘস্থায়ী বৃক্ষ, যা সর্বদা ফল দিতে থাকে। সুন্দর সুন্দর প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়। জানান দেয় হারানো অতীতের সোনালী ইতিহাসের কথা। তুলে ধরে দূর-দূরান্তের সব দেশের চিত্র। চিত্রায়ন করে অতীত থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপট পর্যন্ত।

বই মগজের খাদ্য যা পাঠকের চিন্তা শক্তিকে সমৃদ্ধ করে। মনে আলো ছড়ায়। মেধাকে শাণিত করে। স্বপ্নের পরিধিকে বিস্তৃত করে। বড় হওয়ার পথকে মসৃণ ও সুগম করে। একাকীত্ব দূর করে সাজানো, পরিকল্পিত জীবনের সন্ধান দেয়। চিন্তা, চেতনা, মেধা ও যোগ্যতার সুষম মিশ্রণ ঘটায়। মেজায, তরবীয়ত, ও সুজনতার আকর্ষণ সৃষ্টি করে। ঘুমিয়ে পড়া অলস মস্তিষ্ককে জাগ্রত করে তুলে। সর্বোপরি মানব কল্যাণে উপকার বয়ে আনে।

পক্ষান্তরে একটুখানি অসতর্ক ও বেপরোয়ার বই পড়া পুরো জীবনে ধ্বস নিয়ে আসে। তলিয়ে যায় নিজের তাহজীব, তামাদ্দুন, ঈমান, আকীদ, আদর্শ ও চেতনা। বই, সাহিত্য বিষয়ক পড়াশোনার জন্য একজন পরামর্শক জরুর আবশ্যক। যিনি তাকে সতর্ক করবেন। বই ও লেখক সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে পারবেন। যেন বস্তাপচা অখাদ্য কুখাদ্য গোগ্রাসে গিলে আসল চালান না খুইয়ে ফেলে। বয়সের সাথে সমাঞ্জতা রেখে বই ও লেখক নির্বাচন করবে অভিজ্ঞ সুহৃদের পরামর্শে। এর পূর্বে সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন ধর্মীয় বইপত্র পড়ে ঈমান ও বিশ্বাসের ভিত্তি মজবুত করা। তারপর এদিক ওদিকের লেখা পড়া। নতুবা নড়বড়ে ভিত এক ঝাটকায় মূলসহ উপড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

এত লম্বা লেখায় ভূমিকা বা রূপকথার গল্প বলা উদ্দেশ্য নয়। বরং এই সাতকাহন বইয়ের মূল প্রতিপাদ্য। “কী পড়বেন কীভাবে পড়বেন” শিরোনাম দেখে যে কেউ বইয়ের মূল পাঠ সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন বলে বিশ্বাস। বই পড়ার পূর্বে পাঠ পদ্ধতি সম্পর্কে সম্যক অবগতি একজন পাঠকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বইয়ে সবিস্তারে উল্লেখ আছে ; কেন বই পড়বো? কীভাবে আমাদের অধ্যয়ন শঙ্কামুক্ত হবে। বই পড়ার প্রতি অনীহা ও তার প্রতিকার। কিভাবে পড়া শুরু করতে হয়, এবং পড়ার সময় কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। কোন কাজ গুরুত্বের সাথে করতে হয়, কোন কাজ বর্জন করতে হয়। আরও আছে বই ক্রয় ও সংগ্রহ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা। এবং বই ধার দেয়ার গুরুত্ববহ কিছু নিয়ম কানুন।

একজন বই পাঠকের সবরকমের সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে আরবের খ্যতিমান আলেম ও দাঈ শায়খ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ হাফিঃ রচিত “কাইফা তাক্বরাউ কিতাবান” বইটির সাবলীল অনুবাদ করেছেন তরুণ আলেম-লেখক, অনুবাদক মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসঊদ হাফিঃ। একজন বইপড়ুয়ার জন্য “কী পড়বেন কীভাবে পড়বেন” আবশ্যকীয়ভাবে পাঠ করা প্রয়োজন। আমি মনে করি বইটি সবশ্রেণীর পাঠক/ শিক্ষার্থীর জন্য পাঠ বাধ্যমতামূলক করা আবশ্যক !

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কী পড়বেন কীভাবে পড়বেন”

১ম ধাপ: পছন্দের বইটিকে CART এ এড করুন। অর্থাৎ 'এখনই কিনুন' বাটনে ক্লিক করুন
২য় ধাপ: এবার আপনার CART পেজ এ যান। (ওয়েবসাইট এর উপরের ডান কোণায় CART মেনুতে যান এবং VIEW CART এ ক্লিক করুন)
৩য় ধাপ: আপনার কার্ট আইটেমগুলো দেখে নিন এবং সবকিছু ঠিক থাকলে Proceed to Checkout এ চলে যান।
৪র্থ ধাপ: আপনার শিপিং ঠিকানা ও বিবরণ দিন এবং পেমেন্ট সম্পন্ন করুন
৫ম ধাপ: এরপর PLACE ORDER এ ক্লিক করুন।

একাধিক বই কিনতে: যতগুলো বই কিনতে চান সবগুলো CART এ এড করুন, তারপর চেকআউট করুন।

আপনি অর্ডার করার পর, আমরা পেমেন্ট চেক করবো এবং আপনার বই/বইগুলো ডেলিভারি দেয়া হবে। যে কোনও প্রকার হেল্প এর জন্য আমাদের ফোন অথবা মেইল করুন।