উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)

৳ 327

*** সাহাবায়ে কেরাম রাযি.-কিভাবে দাওয়াতি কাজ করতেন? ***

এখানে আমি হযরত সাহাবায়ে কেরাম রাযি.-এর দাওয়াতের পন্থা উল্লেখ করছি। কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি এটা বলছি না যে, আপনি যে পন্থায় লোকদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করছেন তা বন্ধ করে দিন। কারণ, হতে পারে বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনি এর চেয়ে আর বেশি কিছু করার সামর্থ্য রাখেন না। কিন্তু আমাদের দুর্বলতা বা অপারগতার কারণে আমরা যেন সম্মানিত সাহাবীগণের ব্যাপারে ভুল ধারণা প্রচার না করি। এটাই হচ্ছে আমার উদ্দেশ্য। এটাও সুস্পষ্টভাবে বলা অত্যন্ত প্রয়োজন, আমরা বর্তমানে যেসকল দাওয়াতী পন্থা অবলম্বন করছি এগুলো সাহাবীদের পন্থা ছিল না। আর দাওয়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাহাবীগণের পন্থাই ছিল সর্বোত্তম ও সফল পন্থা। হ্যাঁ, হতে পারে আমরা হয়তো তাদের ন্যায় করতে পারছি না। কিন্তু তাদের পন্থার ব্যাপারে আমাদের সঠিক বুঝ থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এটা জেনে আনন্দিত ও গর্বিত হওয়া উচিত যে সাহাবায়ে কেরাম রাযি. আমাদের পূর্বপুরুষদের নিকট এসে বলেছিলেন, হয় তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো, না হয় জিজিয়া দাও। অন্যথায় আমরা তোমাদেরকে হত্যা করব। এজন্যই হয়তো আজ আমি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি। এভাবেই মহান সাহাবীগণ আমাদেরকে জাহান্নামের চিরস্থায়ী আগুন থেকে রক্ষা করেছেন। আর তারা যদি তথাকথিত শান্তিপূর্ণ পন্থায় দাওয়াত নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষদের নিকট আসতেন, তাহলে হয়তো তারা ইসলাম গ্রহণ করতেন না। এতে আমরা হয়তো অমুসলিমই থেকে যেতাম।

সুতরাং সকল মুসলিমের সাহাবায়ে কেরামদেরকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। কারণ, তারা আমাদের জন্য এমন কুরবানী করেছেন। তারা এমনটি করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের তরবারির মাধ্যমে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গরিব মুহাজির সাহাবীগণ অন্য সকলের চেয়ে পাঁচ শ বছর পূর্বে জান্নাতের দরজায় গিয়ে দাঁড়াবেন। ফেরেশতাগণ তাদেরকে দেখে জিজ্ঞাসা করবেন, বিচার তো এখনো চলছে। আপনারা কীভাবে এখানে আসলেন? তারা উত্তর দেবেন, তারা আমাদের কিসের ব্যাপারে বিচার নেবেন? কারণ, দুনিয়াতে আমাদের কিছুই ছিল না। আমাদের কাঁধে ছিল তরবারি আর আমরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহয় জীবন অতিবাহিত করেছি। অর্থাৎ তরবারি হাতে আমাদের সারা জীবন অতিবাহিত হয়েছে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে। সুতরাং সাহাবীগণের আমলের ব্যাপারে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিছু লোক শিকলের দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ তারা যুদ্ধবন্দী হিসেবে গ্রেপ্তার হবে, পরবর্তী সময় ইসলাম কবুল করে মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

লেখক

প্রকাশনী

বাইন্ডিং

হার্ডকভার

ভাষা

বাংলা

পৃষ্ঠা

360

*** সাহাবায়ে কেরাম রাযি.-কিভাবে দাওয়াতি কাজ করতেন? ***

এখানে আমি হযরত সাহাবায়ে কেরাম রাযি.-এর দাওয়াতের পন্থা উল্লেখ করছি। কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি এটা বলছি না যে, আপনি যে পন্থায় লোকদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করছেন তা বন্ধ করে দিন। কারণ, হতে পারে বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনি এর চেয়ে আর বেশি কিছু করার সামর্থ্য রাখেন না। কিন্তু আমাদের দুর্বলতা বা অপারগতার কারণে আমরা যেন সম্মানিত সাহাবীগণের ব্যাপারে ভুল ধারণা প্রচার না করি। এটাই হচ্ছে আমার উদ্দেশ্য। এটাও সুস্পষ্টভাবে বলা অত্যন্ত প্রয়োজন, আমরা বর্তমানে যেসকল দাওয়াতী পন্থা অবলম্বন করছি এগুলো সাহাবীদের পন্থা ছিল না। আর দাওয়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাহাবীগণের পন্থাই ছিল সর্বোত্তম ও সফল পন্থা। হ্যাঁ, হতে পারে আমরা হয়তো তাদের ন্যায় করতে পারছি না। কিন্তু তাদের পন্থার ব্যাপারে আমাদের সঠিক বুঝ থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এটা জেনে আনন্দিত ও গর্বিত হওয়া উচিত যে সাহাবায়ে কেরাম রাযি. আমাদের পূর্বপুরুষদের নিকট এসে বলেছিলেন, হয় তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো, না হয় জিজিয়া দাও। অন্যথায় আমরা তোমাদেরকে হত্যা করব। এজন্যই হয়তো আজ আমি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি। এভাবেই মহান সাহাবীগণ আমাদেরকে জাহান্নামের চিরস্থায়ী আগুন থেকে রক্ষা করেছেন। আর তারা যদি তথাকথিত শান্তিপূর্ণ পন্থায় দাওয়াত নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষদের নিকট আসতেন, তাহলে হয়তো তারা ইসলাম গ্রহণ করতেন না। এতে আমরা হয়তো অমুসলিমই থেকে যেতাম।

সুতরাং সকল মুসলিমের সাহাবায়ে কেরামদেরকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। কারণ, তারা আমাদের জন্য এমন কুরবানী করেছেন। তারা এমনটি করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের তরবারির মাধ্যমে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গরিব মুহাজির সাহাবীগণ অন্য সকলের চেয়ে পাঁচ শ বছর পূর্বে জান্নাতের দরজায় গিয়ে দাঁড়াবেন। ফেরেশতাগণ তাদেরকে দেখে জিজ্ঞাসা করবেন, বিচার তো এখনো চলছে। আপনারা কীভাবে এখানে আসলেন? তারা উত্তর দেবেন, তারা আমাদের কিসের ব্যাপারে বিচার নেবেন? কারণ, দুনিয়াতে আমাদের কিছুই ছিল না। আমাদের কাঁধে ছিল তরবারি আর আমরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহয় জীবন অতিবাহিত করেছি। অর্থাৎ তরবারি হাতে আমাদের সারা জীবন অতিবাহিত হয়েছে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে। সুতরাং সাহাবীগণের আমলের ব্যাপারে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিছু লোক শিকলের দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ তারা যুদ্ধবন্দী হিসেবে গ্রেপ্তার হবে, পরবর্তী সময় ইসলাম কবুল করে মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)”

১ম ধাপ: পছন্দের বইটিকে CART এ এড করুন। অর্থাৎ 'এখনই কিনুন' বাটনে ক্লিক করুন
২য় ধাপ: এবার আপনার CART পেজ এ যান। (ওয়েবসাইট এর উপরের ডান কোণায় CART মেনুতে যান এবং VIEW CART এ ক্লিক করুন)
৩য় ধাপ: আপনার কার্ট আইটেমগুলো দেখে নিন এবং সবকিছু ঠিক থাকলে Proceed to Checkout এ চলে যান।
৪র্থ ধাপ: আপনার শিপিং ঠিকানা ও বিবরণ দিন এবং পেমেন্ট সম্পন্ন করুন
৫ম ধাপ: এরপর PLACE ORDER এ ক্লিক করুন।

একাধিক বই কিনতে: যতগুলো বই কিনতে চান সবগুলো CART এ এড করুন, তারপর চেকআউট করুন।

আপনি অর্ডার করার পর, আমরা পেমেন্ট চেক করবো এবং আপনার বই/বইগুলো ডেলিভারি দেয়া হবে। যে কোনও প্রকার হেল্প এর জন্য আমাদের ফোন অথবা মেইল করুন।