সাহাবিদের চোখে দুনিয়া- কিতাবুয যুহদ

৳ 317 ৳ 222

 দুনিয়া মুমিনদের জন্যে জেলখানা। হ্যাঁ, সত্যিই। রাসূল (স.) এমনটাই বলেছেন। মুমিনের জন্যে এটা আরাম-আয়েশের জায়গা নয়। এখানে একজন মুমিন তার দ্বীন ও ঈমানের জন্যে তীব্র কষ্ট আর মুজাহাদা করবে। এবং আখিরাতে এর উত্তম বদলা পাবে।

জীবনের সকল জটিল বিষয় সহজ করতে আমাদের পড়া প্রয়োজন সাড়ে এগারো শত বছর আগের কিতাব ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)র কিতাবুয যুহদের ২য় অংশ সাহাবিদের চোখে দুনিয়া।

লেখক

অনুবাদক

আব্দুস সাত্তার আইনী

সম্পাদক

আবদুল্লাহ আল মাসউদ

প্রকাশনী

দেশ

ভাষা

বাংলা

পৃষ্ঠা

220

দুনিয়াকে আমরা নিজেদের কল্পিত চশমা দিয়ে দেখতেই বেশি পছন্দ করি। কল্পনার ক্যানভাসে দুনিয়াকে নিয়ে হাজারও রঙিন ছবি আঁকি। অথচ এটা যে মেকির জগত, এ কথাটা বুঝতে চাই না। আর বুঝলেও মানতে চাই না। আসলে দুনিয়ার ভালোবাসা আমাদেরকে প্রতারিত করেছে, স্রষ্টার স্মরণ থেকে গাফিল করে দিয়েছে। কাফিরদের উন্নতি আর সমৃদ্ধি দেখে আজ আমাদের অন্তরে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অথচ ওদের সুখটা কেবল দুনিয়াতেই। আখিরাতে ওদের কোনো অংশ নেই।
.
কিন্তু মুমিনদের জন্যে? দুনিয়া মুমিনদের জন্যে জেলখানা। হ্যাঁ, সত্যিই। রাসূল (স.) এমনটাই বলেছেন। মুমিনের জন্যে এটা আরাম-আয়েশের জায়গা নয়। এখানে একজন মুমিন তার দ্বীন ও ঈমানের জন্যে তীব্র কষ্ট আর মুজাহাদা করবে। এবং আখিরাতে এর উত্তম বদলা পাবে।
.
নাওফ আল বিকালি (রাহ.) একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। একবার একজন মুমিন আর একজন কাফির মাছ শিকার করতে বের হলো। কাফির জাল ফেলতে লাগলো এবং তার দেবতাদের স্মরণ করতে লাগলো। তার জাল ভরে মাছ উঠতে লাগলো। আর মুমিন ব্যক্তি জাল ফেলতে লাগলো আর আল্লাহকে স্মরণ করতে লাগলো। কিন্তু তার জালে কোনো মাছ উঠে আসছিলো না।
.
তাঁরা দুজনেই সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাছ শিকার করলো। মুমিন ব্যক্তিটি একটিমাত্র মাছ শিকার করতে পারলো। সে যখন মাছটি হাত দিয়ে ধরতে গেলো, সাথে সাথেই মাছটি পানিতে পড়ে গেলো। সে শূন্যহাতে ফিরে এলো। তার কাছে কোনো মাছই ছিলো না। কিন্তু কাফির ব্যক্তিটির নৌকোভর্তি মাছ ছিলো।
.
এ দৃশ্য দেখে মুমিন ব্যক্তির ফিরিশতা আশাহত হলো। সে বললো, ‘হে আমার রব, আপনার এই মুমিন বান্দা আপনাকে ডেকেছে, অথচ সে খালি হাতে ফিরে এসেছে। আর আপনার কাফির বান্দা তার নৌকোভর্তি মাছ নিয়ে বাসায় ফিরেছে।’
আল্লাহ তাআলা ফিরিশিতাটিকে ডেকে বললেন, ‘এদিকে এসো।’
.
আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে ওই মুমিন বান্দাটির অবস্থান দেখালেন। এরপর বললেন, ‘আমার মুমিন বান্দা এখানে আসার পর সবকিছুর কষ্ট ভুলে যাবে।’
এরপর তিনি ফিরিশতাকে ওই কাফির বান্দাটির জাহান্নামের অবস্থান দেখালেন। এরপর বললেন, ‘সে দুনিয়াতে যা কিছু অর্জন করেছে, তা কি এখানে তার কোনো কাজে আসবে?’
ফিরিশতা বললো, ‘না, আল্লাহর কসম! হে আমার রব।’

জীবনের এই দৃষ্টিভঙ্গি উম্মতের সেরা প্রজন্ম সাহাবিরা কিভাবে নিয়েছিলেন তা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)’র মুখেই শোনা যাক-

” অবশ্যই তোমরা জেনে রেখো, লোভই দারিদ্রতা; আর অভাবহীনতার বোধই স্বচ্ছলতা। মানুষ যখন কোন বস্তু থেকে অভাবহীন বোধ করে, তখন তার ওই বস্তুর কোন প্রয়োজন থাকেনা।”
“সাহাবিদের চোখে দুনিয়া”(হাদিস নং- ৫৫)

জীবনের সকল জটিল বিষয় সহজ করতে আমাদের পড়া প্রয়োজন সাড়ে এগারো শত বছর আগের কিতাব ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)র কিতাবুয যুহদের ২য় অংশ সাহাবিদের চোখে দুনিয়া।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “সাহাবিদের চোখে দুনিয়া- কিতাবুয যুহদ”

১ম ধাপ: পছন্দের বইটিকে CART এ এড করুন। অর্থাৎ 'এখনই কিনুন' বাটনে ক্লিক করুন
২য় ধাপ: এবার আপনার CART পেজ এ যান। (ওয়েবসাইট এর উপরের ডান কোণায় CART মেনুতে যান এবং VIEW CART এ ক্লিক করুন)
৩য় ধাপ: আপনার কার্ট আইটেমগুলো দেখে নিন এবং সবকিছু ঠিক থাকলে Proceed to Checkout এ চলে যান।
৪র্থ ধাপ: আপনার শিপিং ঠিকানা ও বিবরণ দিন এবং পেমেন্ট সম্পন্ন করুন
৫ম ধাপ: এরপর PLACE ORDER এ ক্লিক করুন।

একাধিক বই কিনতে: যতগুলো বই কিনতে চান সবগুলো CART এ এড করুন, তারপর চেকআউট করুন।

আপনি অর্ডার করার পর, আমরা পেমেন্ট চেক করবো এবং আপনার বই/বইগুলো ডেলিভারি দেয়া হবে। যে কোনও প্রকার হেল্প এর জন্য আমাদের ফোন অথবা মেইল করুন।